Job

“রাইচরণ” চরিত্রটির স্রষ্ঠা কে ? কোন সমাস?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago
Ans :

"রাইচরন" চরিত্রটির স্রষ্টা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (খোকাবাবুর প্রত্যাবর্তন)।

2 years ago

সমাস

সমাস মানে সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থসম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের এক সঙ্গে যুক্ত হয়ে একটি নতুন শব্দ গঠনের প্রক্রিয়াকে সমাস বলে। যেমন : দেশের সেবা = দেশসেবা, বই ও পুস্তক = বইপুস্তক, নেই পরোয়া যার বেপরোয়া। বাক্যে শব্দের ব্যবহার সংক্ষেপ করার উদ্দেশ্যে সমাসের = সৃষ্টি। সমাস দ্বারা দুই বা ততোধিক শব্দের সমন্বয়ে নতুন অর্থবোধক পদ সৃষ্টি হয়। এটি শব্দ তৈরি ও প্রয়োগের একটি বিশেষ রীতি। সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। তবে খাঁটি বাংলা সমাসের দৃষ্টান্তও প্রচুর পাওয়া যায়। সেগুলোতে সংস্কৃতের নিয়ম খাটে না।

সমাসের প্রক্রিয়ায় সমাসবদ্ধ বা সমাসনিষ্পন্ন পদটির নাম সমস্ত পদ।

 

সমস্ত পদ বা সমাসবদ্ধ পদটির অন্তর্গত পদগুলোকে সমস্যমান পদ বলে। সমাসযুক্ত পদের প্রথম অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় পূর্বপদ এবং পরবর্তী অংশ (শব্দ)-কে বলা হয় উত্তরপদ বা পরপদ ।

সমস্ত পদকে ভেঙে যে বাক্যাংশ করা হয়, তার নাম সমাসবাক্য, ব্যাসবাক্য বা বিগ্রহবাক্য। উদাহরণ-বিলাত – ফেরত রাজকুমার সিংহাসনে বসলেন। এখানে বিলাত-ফেরত, রাজকুমার ও সিংহাসন এ তিনটিই - সমাসবদ্ধ পদ। এগুলোর গঠন প্রক্রিয়া ও রকম বিলাত হতে ফেরত, রাজার কুমার,সিংহ চিহ্নিত আসন এগুলো হচ্ছে ব্যাসবাক্য। এসব ব্যাসবাক্যে 'বিলাত’, ফেরত’, ‘রাজা, ‘কুমার,’ ‘সিংহ’, ‘আসন' হচ্ছে এক একটি সমস্যমান পদ। আর বিলাত-ফেরত, রাজকুমার এবং সিংহাসন সমস্ত পদ। বিলাত, রাজা ও সিংহ হচ্ছে পূর্বপদ এবং ফেরত, কুমার ও আসন হচ্ছে পরপদ। -

 

সমাস প্রধানত ছয় প্রকার : দ্বন্দ্ব, কর্মধারয়, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, দ্বিগু ও অব্যয়ীভাব সমাস ।

 

[ দ্বিগু সমাসকে অনেক ব্যাকরণবিদ কর্মধারয় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন। আবার কেউ কেউ কর্মধারয়কেও তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করেছেন। এদিক থেকে সমাস মূলত চারটি : দ্বন্দ্ব, তৎপুরুষ, বহুব্রীহি, অব্যয়ীভাব। কিন্তু সাধারণভাবে ছয়টি সমাসেরই আলোচনা করা গেল। এছাড়া, প্রাদি, নিত্য, অলুক ইত্যাদি কয়েকটি অপ্রধান সমাস রয়েছে। সংক্ষেপে সেগুলোরও আলোচনা করা হয়েছে। ]

Content added By
Content updated By

Related Question

View More

1 অনমনীয় কোন সমাসবদ্ধ পদ?

Created: 3 years ago | Updated: 7 months ago
Updated: 7 months ago

'অনমনীয়' (নয় নমনীয় যা) হলো নঞ বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ।

ভবনদী = ভব রূপ নদী - রূপক কর্মধারয় সমাস । 

তেপান্তর = তে (তিন) প্রান্তরের সমাহার – দ্বিগু সমাস ।

বিশ্রী = শ্রীর অভাব (অব্যয়ীভাব সমাস)।

অনাসক্ত = নয় আসত (পুরু)।

”জ্যোৎস্নারাত” শব্দের ব্যাসবাক্যসহ সমাস নির্ণয়:

= জ্যোৎস্না শোভিত রাত = জ্যোৎস্নারাত (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)।

সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ বা একপদীকরণ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অর্থসম্বন্ধযুক্ত একাধিক পদের একটি পদে পরিণত হওয়ার প্রক্রিয়াকে সমাস বলে ।

বাংলাভাষায় সমাসের প্রয়োজনীয়তাঃ
ভাষা সংক্ষিপ্তকরণঃ সমাস ভাষাকে সংক্ষেপ করে। যেমন: মাস্টার সাহেবের ঘরে আশ্রিত জামাই বাষ্প চালিত যানে ঢাকা গেলেন। না বলে সংক্ষিপ্তাকারে আমরা বলতে পারি - মাস্টার সাহেবের ঘরজামাই বাষ্পযানে ঢাকা গেলেন।

নতুন শব্দ গঠনঃ সমাস নতুন নতুন শব্দ গঠন করে। যেমন: জায়া ও পতি মিলে নতুন শব্দ দম্পতি

ভাষার শ্রুতিমধুরতা বৃদ্ধিঃ সমাস ভাষাকে শ্রুতিমধুর, প্রাঞ্জল ও ছন্দময় করে তোলে। যেমনঃ 'রাজা সিংহ চিহ্নিত আসনে বসে আছেন' না বলে ‘রাজা সিংহাসনে বসে আছেন' বললে বাক্যটি শ্রুতিমধুর হয়।

তুলনাকরণঃ দুই পদের মধ্যে তুলনা বোঝাতেও সমাস ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন: বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু সহচর শব্দ গঠনঃ সমাসের মাধ্যমে সহচর শব্দ গঠিত হয়। যেমন: সোনা ও রুপা = সোনারুপা ।

Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...